Skip to content
BanksGuide.png BanksGuide

বাংলাদেশের সকল ব্যাংকের আপডেট তথ্য

BanksGuide.png BanksGuide

বাংলাদেশের সকল ব্যাংকের আপডেট তথ্য

  • প্রথম পাতা
  • ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ড
  • ব্যাংক লোন পরামর্শ
  • সাধারণ জিজ্ঞাসা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • নীতিমালা
  • ডিসক্লেইমার
  • ডিএমসিএ
  • প্রথম পাতা
  • ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ড
  • ব্যাংক লোন পরামর্শ
  • সাধারণ জিজ্ঞাসা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • নীতিমালা
  • ডিসক্লেইমার
  • ডিএমসিএ
জামানত ছাড়া কোন ব্যাংক লোন দেয়.png
সাধারণ জিজ্ঞাসা

জামানত ছাড়া কোন ব্যাংক লোন দেয়? আমার বন্ধু কামরুল যেভাবে জামানত ছাড়া ব্যাংক থেকে লোন পেয়েছিল

রিপন সরকার
By রিপন সরকার
May 19, 2026

কামরুল আমার পুরনো বন্ধু। পাঁচ বছর ধরে একটা ছোট ইলেকট্রনিক্স দোকান চালায়। ব্যবসা মোটামুটি চলছিল, কিন্তু ঈদের আগে হঠাৎই বড় একটা অর্ডার এলো। পাঁচ লাখ টাকার পণ্য দিতে হবে। হাতে নগদ টাকা নেই। ব্যাংকে জামানত রাখার মতো জমিও নেই। এই অবস্থায় প্রায় সবাই বলে লোন পাওয়ার কোনো উপায় নেই। অথচ কামরুল জামানত ছাড়াই ব্যাংক থেকে লোন পেয়ে গেলো।

কীভাবে? সোজা কথায় বলি একটা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া আছে। বেশিরভাগ লেখায় বলা হয় জামানত ছাড়া লোন সম্ভব নয়। আমি একমত নই। কারণ ২০২৫ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশিকা এসেছে। তাতে ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ ঋণ সুবিধা রাখা হয়েছে। এই নিয়ম কামরুল ঠিকভাবে কাজে লাগিয়েছে।

সে প্রথমে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ছয় মাসের লেনদেন দেখালো। বিকাশ ও নগদ থেকেও টাকা জমা ও তোলার হিসাব পেশ করলো। তারপর একটা জিনিস করলো যা অনেকে করে না নিজের দোকানের তিন মাসের ক্রয়-বিক্রয় রসিদ জমা দিলো। ব্যাংক ম্যানেজার প্রথমে একটু দ্বিধায় ছিলেন। কিন্তু তথ্যগুলো দেখার পর বললেন, ‘আপনার ব্যবসা নিয়মিত চলছে। আমরা মাইক্রো লোন দিতে পারি।’

আশ্চর্য লাগলো? আমি নিজেও অবাক হয়েছিলাম। আসলে, একটু অন্যভাবে বলা দরকার। বাংলাদেশের বেশ কিছু ব্যাংক এখন ‘নো কল্যাটারাল’ বা জামানতবিহীন লোন দিচ্ছে। শুধু শর্ত হলো আপনার ব্যবসার রেকর্ড থাকতে হবে। কামরুলের ক্ষেত্রে মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই লোনের টাকা তার অ্যাকাউন্টে চলে এলো।

একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: যাদের ব্যবসা ছোট বা নতুন, তারা সাধারণত বড় ব্যাংকে যান না। বরং প্রাইম ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক বা ইউসিবির মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে খোঁজ নিলে বেশি সুবিধা পাবেন। এই ব্যাংকগুলোতে বিশেষ ঋণ প্রোগ্রাম আছে ‘উদ্যোক্তা ঋণ’ বা ‘ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ঋণ’ নামে।

কার্যকরী পরামর্শঃ আপনার যদি জামানত না থাকে, তাহলে আজই আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের শেষ ৬ মাসের লেনদেন, ব্যবসার রসিদ ও ট্রেড লাইসেন্সের কপি তৈরি করুন। ব্যাংকে গিয়ে ‘জামানত ছাড়া লোন’ নিয়ে জিজ্ঞেস করুন। মাত্র আধঘণ্টার কাজ কিন্তু দরজা খুলে যেতে পারে।

সবচেয়ে বড় মিথটা ভাঙা যাক: কোন ব্যাংকগুলো আসলে জামানত ছাড়া লোন দিচ্ছে?

হ্যাঁ, প্রশ্নটা জটিল। কারণ অনেকে বলেন, “কোনো ব্যাংকই জামানত ছাড়া লোন দেয় না।” সত্যিই কি তাই? কাগজে-কলমে বিষয়টা যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে ততটা নয়।

গত তিন মাসের (মার্চ-জুন ২০২৬) তথ্য বলছে, বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে ১২টির বেশি প্রতিষ্ঠান বিশেষ ঋণ স্কিম চালু করেছে। সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের মতো সরকারি ব্যাংকগুলোতে ‘ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ’ আছে যেখানে জামানতের বদলে ব্যবসার ক্যাশ ফ্লো দেখা হয়। বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে আইএফআইসি ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়া ‘অ্যাসেট ব্যাকড লোন’ দিচ্ছে যেখানে জামানত না থাকলেও অন্যান্য সম্পদ (যেমনঃ দোকানের মালপত্র) বিবেচনা করা হয়।

তবে সততার সাথে বলছি, জামানত ছাড়া লোনের পরিমাণ সীমিত। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ২ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকার মধ্যে। সুদের হারও কিছুটা বেশি সাধারণত ১২% থেকে ১৮%। কিন্তু যার কাছে অন্য কোনো উপায় নেই, এই সুদও মেনে নিতে হয়।

আমার বন্ধু কামরুল যেভাবে লোন পেয়েছিল, তার একটা বড় কারণ ছিল অনলাইন আবেদন। সে তার ব্যাংকের মোবাইল অ্যাপ থেকেই আবেদন করে। কাগজপত্র আপলোড করে দেয়। তারপর ব্যাংক থেকে ফোন আসে ‘আপনার ডকুমেন্ট চেক করেছি। অফিসে আসুন।’ পুরো প্রক্রিয়ায় একবারও তাকে ব্যাংকে যেতে হয়নি।

আপনি কি জানেন অনেকে ব্যাংক থেকে লোন পায় না শুধু এই কারণে যে তারা জানেই না কোন ব্যাংক কী অফার করছে? আমি নিজে যখন খোঁজ নিলাম, দেখলাম ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ‘ইউসিবি ইউনি লোন’ এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘এমটিবি বাটন লোন’ সম্পূর্ণ জামানতবিহীন। তবে শর্ত আছে আবেদনকারীর বয়স ২১ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে হতে হবে এবং ন্যূনতম এক বছরের ব্যবসার অভিজ্ঞতা থাকতে চাই।

কার্যকরী পরামর্শঃ পরবর্তী লোনের জন্য আবেদনের আগে অন্তত তিনটি ব্যাংকের ওয়েবসাইট ঘুরে দেখুন ‘জামানত ছাড়া লোন’ সেকশনে গিয়ে। শুধু ব্যাংকের নাম নয়, ‘ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ঋণ’ বা ‘মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ লোন’ লিখে সার্চ করুন। বিস্তারিত তুলনা করে ১৫ মিনিটেই ঠিক করে নিতে পারবেন কোন ব্যাংকে আবেদন করবেন।

কামরুলের আবেদন প্রক্রিয়া: যেটা অনেকে ভুল করে, সেটা সে ঠিক করলো কীভাবে?

বেশিরভাগ লেখায় বলা হয় লোন আবেদন জটিল। কিন্তু আমি কামরুলের পুরো প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে দেখলাম। সত্যিই, তেমন কঠিন কিছু নয় যদি কিছু জিনিস মাথায় রাখেন।

  • প্রথম ভুল: অনেকে অসম্পূর্ণ ফর্ম জমা দিয়ে দেয়। কামরুল আগে ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে। সব ফিল্ড নিজে পূরণ করে। তারপর একজন একাউন্ট্যান্ট দিয়ে চেক করায়।
  • দ্বিতীয় ভুল: ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ। কামরুলের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ছিল না। সে আগে সিটি করপোরেশনে গিয়ে ১৫০ টাকা দিয়ে নবায়ন করে নেয়।
  • তৃতীয় ভুল: ভুল ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য। অনেকের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্ট আলাদা না থাকায় ব্যাংক ক্যাশ ফ্লো বুঝতে পারে না। কামরুল আগে তার ব্যবসার জন্য আলাদা কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলে নেয়।

গত মাসে (মে ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশিকা এসেছে যেখানে বলা হয়েছে, জামানত ছাড়া লোনের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো নিজস্ব রিস্ক অ্যানালাইসিস করতে পারবে। এর মানে তারা কেবল কাগজপত্র নয়, আপনার ব্যবসার প্রকৃত অবস্থাও দেখবে। কামরুলের ক্ষেত্রে ব্যাংকের একজন অফিসার তার দোকানে এসে দুই ঘণ্টা বসে ছিল। মালপত্র, গ্রাহক সংখ্যা, বিক্রির হিসাব দেখে গেছে।

থাক, মূল কথায় আসি। কামরুলের আবেদনে সাফল্যের আরেকটি কারণ ছিল সে তার ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক লেনদেন আলাদা করে। অনেকের ব্যাংক স্টেটমেন্টে ব্যক্তিগত খরচ (যেমনঃ বাড়ির বাজার, বাচ্চার স্কুলের ফি) ব্যবসার টাকায় মিশে যায়। ব্যাংকের চোখে এটা বড় নেতিবাচক।

আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, কামরুলের পদ্ধতিটা মোটামুটি সবার জন্য কাজ করবে। ওর মতো করে আগে প্রস্তুতি নিন, তারপর আবেদন করুন।

কার্যকরী পরামর্শঃ লোন আবেদনের আগে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের শেষ ৬ মাসের লেনদেন নিজে বিশ্লেষণ করুন। যদি দেখা যায় ব্যক্তিগত খরচ বেশি মিশে আছে, তাহলে আলাদা অ্যাকাউন্ট খুলুন। এটা মাত্র ২ দিনের কাজ কিন্তু লোন অনুমোদনের সম্ভাবনা দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়।

শুধু ব্যাংক নয়: বিকল্প উৎসও আছে, কিন্তু সতর্ক থাকুন

কামরুলের গল্প শোনার পর অনেকেই বলেন ‘বিকাশ বা নগদ থেকেও কি লোন নেওয়া যায়?’ জি, যায়। কিন্তু এখানে একটা বড় ফাঁদ আছে।

গত কয়েক মাসে মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসগুলো ‘লোন ফ্রম অ্যাপ’ সুবিধা চালু করেছে। যেমন: বিকাশের ‘লোন প্রি-অ্যাপ্রুভাল’ সিস্টেম যেখানে আপনার লেনদেনের ইতিহাস দেখে আগেই লোনের অফার দেওয়া হয়। নগদের ‘নগদ লোনেও’ এসেছে। তবে ব্যাংকের লোনের চেয়ে এদের সুদের হার অনেক বেশি। উদাহরণস্বরূপ, বিকাশের লোনে কার্যকরী সুদ প্রায় ২৪% থেকে ৩৬% পর্যন্ত যেতে পারে।

এছাড়া কিছু এনজিও ও নন-ব্যাংকিং ফাইনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন (এনবিএফআই) জামানত ছাড়া লোন দিচ্ছে। যেমন ব্র্যাক ব্যাংকের ‘এন্টারপ্রাইজ লোন’ বা আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ‘এসএমই লোন’। এদের সুদের হার ব্যাংকের চেয়ে বেশি হলেও, কাগজপত্রের ঝামেলা কম।

আমি বন্ধুর কাছ থেকে শুনেছি, ব্র্যাক ব্যাংকে জামানত ছাড়া লোন নিতে মাত্র কয়েক ঘণ্টা লাগে। তবে তারা আবেদনকারীর সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলও চেক করে! বিশ্বাস না হলে দেখুন ব্যাংকের অফিসাররা ফেসবুক পেজ দেখে ব্যবসার কার্যক্রম যাচাই করে।

তবে সততার সাথে বলছি, এই বিকল্পগুলোর মধ্যে তুলনা করা কঠিন। কারণ ব্যাংকের লোনে সুদ কম, কিন্তু কাগজপত্র বেশি। এমএফএস-এ প্রক্রিয়া সহজ, কিন্তু সুদ বেশি। কামরুল নিজে ব্যাংক বেছে নিয়েছে কারণ তার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছিল। অল্প সময়ের জন্য যদি টাকা দরকার, তাহলে বিকাশ বা নগদও কাজ দিতে পারে।

কার্যকরী পরামর্শঃ ব্যাংক বনাম এমএফএস লোনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একবার ক্যালকুলেটর নিয়ে বসুন। যদি লোনের পরিমাণ ১ লাখ টাকার বেশি হয়, তাহলে ব্যাংকই ভালো। কম হলে এমএফএস নিতে পারেন। মাত্র ৫ মিনিটের কাজ কিন্তু ভবিষ্যতে হাজার হাজার টাকা বাঁচাতে পারবেন।

আপনার কী করা উচিত: কামরুলের পদ্ধতি অনুসরণের সহজ গাইডলাইন

এখন পর্যন্ত যা জানলাম, সেটা কাজে লাগানোর সময় এসেছে। কামরুলের গল্প থেকে শেখার মতো কিছু নির্দিষ্ট ধাপ আছে। সেগুলো নিচের টেবিলে তুলে ধরছি:

ধাপ কী করতে হবে সময় (প্রায়) খরচ
১ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেন বিশ্লেষণ ২-৩ দিন ০ টাকা
২ ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ও কাগজপত্র তৈরি ১-২ দিন ১৫০-৫০০ টাকা
৩ ব্যাংক ওয়েবসাইট থেকে ফর্ম ডাউনলোড ১ ঘণ্টা ০ টাকা
৪ ফর্ম পূরণ ও কাগজপত্র জমা ২-৩ ঘণ্টা ০ টাকা
৫ ব্যাংক অফিসার পরিদর্শন ২-৪ ঘণ্টা ০ টাকা
৬ লোন অনুমোদন ও টাকা উত্তোলন ৭-১৫ দিন শূন্য

আমি নিজে ভেবেছিলাম প্রক্রিয়াটি জটিল হবে। কিন্তু কামরুলের সঙ্গে কথা বলে বুঝলাম ব্যাংকে একবার গিয়ে অফিসারের সঙ্গে সরাসরি আলোচনাই সবচেয়ে কাজের। অনলাইনে অনেক লেখা আছে, কিন্তু অফিসারের মুখের কথাই নির্ভরযোগ্য।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ নির্দেশিকা অনুযায়ী, জামানত ছাড়া লোনের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর জন্য কিছু নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। এখন ব্যাংক নিজেদের ইচ্ছামতো শর্ত নির্ধারণ করতে পারে। তাই একেক ব্যাংকের নিয়ম একেক রকম। কামরুলের ব্যাংক শুধু ট্রেড লাইসেন্স ও ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট চেয়েছিল। কিন্তু অন্যদের আরও ডকুমেন্ট দরকার হতে পারে।

একটা জিনিস মনে রাখবেন: লোন অনুমোদনে সময় লাগতে পারে। কামরুলের ১৫ দিন লেগেছিল। কেউ কেউ ৭ দিনেও পায়। কিন্তু জরুরি প্রয়োজনে পড়লে এই সময় বিবেচনায় নিন।

কার্যকরী পরামর্শঃ আজই আপনার ব্যাংকের শাখায় ফোন করে জিজ্ঞাসা করুন ‘জামানত ছাড়া লোনের জন্য কী কী কাগজ দরকার?’ নাম্বারটি ব্যাংকের ওয়েবসাইট বা গুগল ম্যাপে পাবেন। মাত্র ১০ মিনিটের কাজ কিন্তু পুরো প্রক্রিয়ার রাস্তা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

শেষ কথা

কামরুলের গল্প থেকে বড় শিক্ষা জামানত না থাকলেও আধুনিক ব্যাংকিং সিস্টেমে পথ আছে। শুধু প্রয়োজন সঠিক প্রস্তুতি ও ধৈর্য। তাঁর মতো করে যদি আপনি নিজের ব্যবসার ডকুমেন্ট ঠিক করেন, তাহলে ব্যাংক থেকে লোন পাওয়া অসম্ভব নয়।

আমি মনে করি, যে কোনো ছোট ব্যবসায়ীর উচিত আগে থেকেই ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি রাখা। নিয়মিত অ্যাকাউন্ট লেনদেন, ট্যাক্স দেওয়া ও ব্যবসার রেকর্ড সংরক্ষণ এই তিনটি বিষয়ে মনোযোগ দিলে জামানত ছাড়া লোনের দরজা নিজে থেকেই খুলে যাবে। আজই শুরু করুন।

🔥 Recommended For You

আমেক্স কার্ডের বাই ওয়ান গেট ওয়ান বাফেট অফার নিয়ে মাহমুদের যা জানা দরকার ছিল (ব্যাংক কর্মকর্তার কাছে থেকে পাওয়া তথ্য)
আমেক্স কার্ডের বাই ওয়ান গেট ওয়ান বাফেট অফার নিয়ে মাহমুদের যা জানা দরকার ছিল (ব্যাংক কর্মকর্তার কাছে থেকে পাওয়া তথ্য)
ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের বাৎসরিক ফি মওকুফ পেতে ইমতিয়াজ যা করলেন ( কেস স্টাডি)
ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের বাৎসরিক ফি মওকুফ পেতে ইমতিয়াজ যা করলেন ( কেস স্টাডি)
রিপন সরকার
Author

রিপন সরকার

রিপন সরকার একজন ব্যাংকিং পেশাজীবী এবং আর্থিক বিষয়ক লেখক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকিং খাতে কাজ করছেন এবং ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক লোন, ডিজিটাল ব্যাংকিং ও ব্যক্তিগত অর্থব্যবস্থাপনা বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। এই তিনি সহজ ও নির্ভরযোগ্য ভাষায় ব্যাংকিং সম্পর্কিত তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট প্রকাশ করেন, যাতে পাঠকরা সঠিক আর্থিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

Follow Me
Other Articles
সিটি টাচ অ্যাপ দিয়ে ক্রেডিট কার্ড বিল পেমেন্ট.png
Previous

সিটি টাচ অ্যাপ দিয়ে ক্রেডিট কার্ড বিল পেমেন্ট করতে গিয়ে শারমিন যে ভুলগুলো করেছিলেন

ডিবিবিএল পার্সোনাল লোন আবেদন.png
Next

ডিবিবিএল পার্সোনাল লোন আবেদন করতে কি কি লাগে? আশরাফ চাচার আবেদন করার বাস্তব অভিজ্ঞতা

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ প্রকাশ

  • সিটি ব্যাংক আমেক্স কার্ডের সুবিধা.pngসিটি ব্যাংক আমেক্স কার্ডের যে সুবিধা দেখে তানভীর আমেক্স কার্ড নিতে দেরি করেনি
  • ব্যাংকের ব্যালেন্স চেক করার নিয়ম.pngসব ব্যাংকের ব্যালেন্স চেক করার নিয়ম (কোড ও অ্যাপ) ২০২৬
  • ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের বাৎসরিক ফি মওকুফ.pngব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের বাৎসরিক ফি মওকুফ পেতে ইমতিয়াজ যা করলেন ( কেস স্টাডি)
  • সোনালী ব্যাংকের ডিপিএস বিপরীতে ঋণ.pngসোনালী ব্যাংকের ডিপিএস এর বিপরীতে ঋণ নেওয়ার নিয়ম
  • ডাচ বাংলা ব্যাংক পার্সোনাল লোন.pngডাচ বাংলা ব্যাংক পার্সোনাল লোন নিতে নূরজাহানের যা যা লেগেছিল: সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা
  • এফডিআর করার নিয়ম.pngএফডিআর কি? এফডিআর করার নিয়ম ও সুদের হার তুলনা
  • বাংলাদেশের সেরা ক্রেডিট কার্ড কোনটি.pngবাংলাদেশের সেরা ক্রেডিট কার্ড কোনটি? সকল কার্ড তুলনা করে শফিকুল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল
ডিসক্লেইমারঃ আমরা কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান নই। এই সাইটের তথ্যগুলো কেবল সাধারণ সচেতনতা এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে তৈরি।
Copyright 2026 — Latestjobnews24.com. All Rights Reserved.