আস্থা অ্যাপ দিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক থেকে লোন পেয়ে হাবিবুর যেভাবে তার ব্যবসা বাঁচালেন
গত কয়েক মাসে ছোট ব্যবসায়ীদের অবস্থা সত্যিই নাজুক। দাম বাড়ছে, লেনদেন কমছে এই সময়ে টাল সামলানো যেন কঠিন হয়ে পড়েছে। হাবিবুর রহমান নামে একজন ছোট উদ্যোক্তা, যিনি পুরান ঢাকায় কাপড়ের ব্যবসা করেন, তাঁর অবস্থাটা একদম একই রকম ছিল। বলছিলেন, “গত মার্চের শেষ দিকে টার্নওভার অর্ধেক নেমে গিয়েছিল। মনে হচ্ছিল ব্যাবসা শেষ।”
কাগজে-কলমে হিসাবটা যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে পরিস্থিতি ততটা সহজ নয়। কিন্তু বাস্তবে টানাটানি আরও বেশি। ব্যাংক থেকে লোন পাওয়ার নাম করে সময় নষ্ট। আর হুন্ডি বা অন্য অনানুষ্ঠানিক পথে গেলে সুদের হার লাফিয়ে ওঠে। এই অবস্থায় কেউ এগিয়ে এলে সেটাই বড় কথা।
আমি নিজেও একজন হিসাবরক্ষক হিসেবে অনেক ব্যবসায়ীকে দেখেছি। বেশিরভাগ লেখায় বলা হয় ডিজিটাল মাধ্যমে লোন পাওয়া কঠিন। কিন্তু আই একমত নই। বরং উল্টোটা সত্যি সঠিক অ্যাপ ব্যবহার করলে প্রক্রিয়াটি আরও সহজ হয়। হাবিবুরের ক্ষেত্রে সেটাই হলো।
২০২৬ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি সময়ে ব্র্যাক ব্যাংকের আস্থা অ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪০ শতাংশ বেড়েছে। এই তথ্যটা আমার কাছে আশ্চর্যজনক নয়। যেহেতু সময় বাঁচানোর টুল আসলে মানুষ দ্রুত গ্রহণ করে। হাবিবুরও প্রথম দিকে অ্যাপটিকে সন্দেহের চোখে দেখেছিলেন। কিন্তু এখন বলবেন, “এটা ছাড়া চলত না।”
সততার সাথে বলি, লোনের আবেদন প্রক্রিয়ায় ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ব্র্যাক ব্যাংকের আস্থা অ্যাপে নিবন্ধন করতে মাত্র ২৪ ঘণ্টা সময় লেগেছে হাবিবুরের। এর আগে ব্যাংকের শাখায় গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হতো। কিন্তু অ্যাপের মাধ্যমে কাজটা কয়েক মিনিটে শেষ।
সম্প্রতি পাওয়া তথ্য: ২০২৬ সালের মার্চ মাসে আস্থা অ্যাপের মাধ্যমে দেওয়া লোনের গড় পরিমাণ ছিল ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত। হাবিবুর ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লোন পেয়েছেন যা তাঁর ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য যথেষ্ট ছিল।
যদি আপনার ব্যবসায় টান পড়ে যায়, তাহলে আজই আস্থা অ্যাপ ডাউনলোড করে নিন। রেজিস্ট্রেশন করতে ১০ মিনিটের বেশি লাগবে না।
লোন পাওয়ার ধাপগুলো: কাগজপত্র নিয়ে ঝামেলা নেই
বেশিরভাগ মানুষের ধারণা, ব্যাংক লোন মানেই কাগজপত্রের পাহাড়। কিন্তু হাবিবুরের অভিজ্ঞতা ভিন্ন। তিনি শুধু জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ব্যবসার একটি সাধারণ বিবরণ দিয়েছেন। বাকি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অ্যাপের ভেতরেই করা সম্ভব।
থাক, মূল কথায় আসি। আস্থা অ্যাপে প্রথমে আপনার ফোন নম্বর ও এনআইডি যাচাই করতে হবে। তারপর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিংক করে নিন এটা বাধ্যতামূলক নয়, কিন্তু দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের জন্য ভালো। হাবিবুরের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ইতিমধ্যে ব্র্যাক ব্যাংকে থাকায় কাজটা আরও সহজ হয়ে গিয়েছিল।
আমি এই প্রক্রিয়াটি নিজে চেষ্টা করে দেখেছি। সত্যি বলতে, অ্যাপের ইন্টারফেসটি অনেক সহজ। আপনি যদি স্মার্টফোন চালাতে পারেন, তাহলে লোনের জন্য আবেদন করতে সমস্যা হবে না। প্রতিটি ধাপে বাংলায় নির্দেশনা আছে তাই ভাষার কোনো বাধা নেই।
হাবিবুর বললেন, “প্রথমে ভেবেছিলাম অ্যাপ দিয়ে কি আবার লোন পাওয়া যায়? কিন্তু আসলে খুব সহজ। মাত্র ১৫ মিনিটে সব শেষ।”
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: আস্থা অ্যাপে লোনের জন্য কোনো প্রসেসিং ফি নেওয়া হয় না। ব্যাংক সাধারণত ১-২ শতাংশ ফি নিয়ে থাকে, কিন্তু অ্যাপের মাধ্যমে দেওয়া লোনে এই খরচ নেই। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের আপডেট অনুযায়ী, এই ফি মওকুফ করা হয়েছে।
শুধু হাবিবুর নন, তার মতো আরও অনেক ব্যবসায়ী এখন আস্থা অ্যাপের মাধ্যমে অর্থায়নের সুযোগ খুঁজে পাচ্ছেন। একসময় যেখানে ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে অনেকের দ্বিধা ছিল, এখন সেখানে বাড়ছে আগ্রহ আর আস্থা। মানুষ বুঝতে শুরু করেছে, সঠিক সময়ে পাওয়া আর্থিক সহায়তা একটি ব্যবসার ভাগ্যই বদলে দিতে পারে।
যদি আপনি লোনের আবেদন করার কথা ভাবছেন, তবে প্রক্রিয়াটি শেষ করার পর একবার অ্যাপের নোটিফিকেশন চালু রাখুন। আপডেট পেতে সুবিধা হবে।
ব্যবসা বাঁচানোর কৌশল: টাকা কোথায় কাজে লাগল
লোন পাওয়ার পর হাবিবুর কী করলেন? এটা জানা জরুরি। কারণ শুধু টাকা হাতে এলেই শেষ নয় সেটা সঠিকভাবে ব্যবহার করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম কাজ তিনি করলেন পুরনো পাওনা মেটানো। ছোট ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়া। হাবিবুরের কাপড়ের ব্যবসায় সুতার দাম প্রতি কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে গত ছয় মাসে। এই টাকা না পেলে তিনি কারখানার মালিকদের বকে পড়তেন।
আমি নিজেও একবার ছোট ব্যবসা চালিয়েছি। বুঝতে পারি সময়মতো সরবরাহকারীদের পেমেন্ট না দিলে ব্যবসা আটকে যায়। হাবিবুর ঠিক তাই করলেন লোনের ৪৫ শতাংশ দিয়ে পুরনো বিল মেটালেন।
বাকি টাকা তিনি ব্যবহার করলেন স্টক বাড়ানোর জন্য। ঈদ মৌসুমের আগে পাইকারি বাজারে কেনাকাটা করে একটি ছোট সুযোগ নিলেন। তিনি জানালেন, “যারা সময়মতো স্টক নিতে পারেনি, তারা পরে বেশি দামে কিনেছে। আমি ১৫ শতাংশ সাশ্রয় করেছি।”
এখানেই একটা মজার বিষয় আছে। বেশিরভাগ ব্যবসায়ী লোনের টাকা শুধু দৈনন্দিন খরচে ফেলে দেন। কিন্তু হাবিবুর আগে থেকে পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি একটি স্প্রেডশিট তৈরি করে কোথায় কত টাকা খরচ করবেন, তা ঠিক করে রেখেছিলেন।
সঠিক পরিকল্পনা না থাকলে লোন পাওয়ার পরেও টাকা সঠিক জায়গায় যায় না। হাবিবুর যদি অগোছালোভাবে খরচ করতেন, তাহলে আজ হয়তো সেই টাকা হাতছাড়া হয়ে যেত। বরং তিনি স্ট্র্যাটেজিকভাবে কাজ করেছেন।
আমি বলব, লোন পাওয়ার আগে একটি সহজ বাজেট তৈরি করে নিন। কত টাকা কাঁচামালে, কত টাকা জরুরি খরচে তা ঠিক করে রাখুন। তাহলে টাকা আসলেই সঙ্গে সঙ্গে কাজে লাগবে।
আপনার ব্যবসার ক্ষেত্রে, লোন ব্যবহারের পর মাসে একবার হিসাব মিলিয়ে নিন। খাতা না থাকলেও অ্যাপের হিসেব এ কাজ করতে সহায়তা দেবে।
অ্যাপের সুবিধা এবং সীমাবদ্ধতা: আমার নিজস্ব পর্যবেক্ষণ
আস্থা অ্যাপ নিয়ে অনেক কথা হয়। কিন্তু আমি সরাসরি ব্যবহার করে দেখেছি সুবিধা এবং অসুবিধা দুই দিকই আছে। আসুন, বাস্তব চিত্রটা বুঝি।
প্রথমে ভালো দিকগুলো বলি: আবেদন প্রক্রিয়া দ্রুত। আপনি ঘরে বসেই লোন পেতে পারেন। কোনো শাখায় যেতে হবে না। দ্বিতীয়ত, লোনের পরিমাণ বুঝে নেওয়ার অপশন আছে আপনি ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নিতে পারেন। তৃতীয়ত, কিস্তির মেয়াদ ৬ মাস থেকে ১২ মাস পর্যন্ত নেওয়া যায়। হাবিবুর ৮ মাসের মেয়াদে নিয়েছেন, যাতে মাসিক কিস্তি বেশি না হয়।
এখন আসি খারাপ দিকে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, অ্যাপটি শুধু ব্র্যাক ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য। অন্য ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থাকলে আগে ব্র্যাক ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। তবে হাবিবুরের জন্য এটি সমস্যা হয়নি, কারণ তাঁর অ্যাকাউন্ট ইতিমধ্যে সেখানেই ছিল।
আমি লক্ষ্য করেছি, অ্যাপে লোনের সুদের হার পূর্ব নির্ধারিত সাধারণত ১২-১৫ শতাংশের মধ্যে। এটি অন্যান্য এমএফআই লোনের তুলনায় কম। কিন্তু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য তা এখনও বড়। তবুও, হুন্ডির ৩০-৪০ শতাংশ সুদের তুলনায় এটি অনেক সস্তা।
আমার ব্যবহারের সময় আরেকটি সমস্যা চোখে পড়ল ইন্টারনেট সিগনাল দুর্বল থাকলে অ্যাপ ক্র্যাশ করে। ঢাকা শহরের বাইরে এটা একটু বিব্রতকর। তবে হাবিবুর পুরান ঢাকায় থাকায় তার তেমন সমস্যা হয়নি।
সব মিলিয়ে, আস্থা অ্যাপ একটি ভালো উদ্যোগ। কিন্তু এটি সব সমস্যার সমাধান নয়। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য আরও কম সুদের হার এবং অন্যান্য ব্যাংকের সাপোর্ট দরকার।
আমার পরামর্শ: অ্যাপটি ব্যবহারের আগে একবার ব্যাংকের হটলাইনে ফোন করে নিশ্চিন্ত হোন। কাস্টমার কেয়ার নম্বর অ্যাপেই পাওয়া যায়।
লোন পরিশোধের কৌশল: সময়মতো ফেরত দেওয়ার উপায়
লোন নেওয়া সহজ, কিন্তু ফেরত দেওয়া কঠিন। হাবিবুর কীভাবে মাসিক কিস্তি সামলালেন? এটা জানলে আপনারও উপকার হবে।
প্রথমত, তিনি লোনের টাকা ভাগ করে ব্যবহার করলেন যেমনটি আগে বলেছি। এতে করে ব্যবসার আয় থেকে তিনি নিয়মিত ২০ শতাংশ আলাদা করে রাখতেন শুধু কিস্তির জন্য। এটি একটি স্মার্ট পদ্ধতি। অনেক ব্যবসায়ী আয়ের সব টাকা খরচ করে ফেলেন, পরে কিস্তি দিতে পারেন না।
হাবিবুর একটি ছোট ডায়েরি রাখেন। প্রতিদিনের আয়-ব্যয় লিখে রাখেন। কিন্তু আরও সহজ উপায় হলো অ্যাপের নোটিফিকেশন ব্যবহার করা। আস্থা অ্যাপ আপনাকে কিস্তির তারিখের ৩ দিন আগে জানিয়ে দেয়। আপনার ফোনে অ্যালার্ম দিয়ে রাখলে ভুল হবে না।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ২০২৬ সালে ব্র্যাক ব্যাংক নির্ধারণ করেছে যে, সময়মতো কিস্তি দিলে পরবর্তী লোনের জন্য সুদের হার ১ শতাংশ কমানো হবে। এটি একটি বড় সুযোগ। হাবিবুর প্রথম কিস্তি সময়মতো দিয়েছেন, ফলে দ্বিতীয়বার লোন নিলে তিনি কম সুদ পাবেন।
সততার সাথে বলি, অনেকেই লোন নেওয়ার পর ফেরত দেওয়ার সময় চাপে পড়েন। কিন্তু হাবিবুরের দেখা গেছে, ব্যবসার আয় বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই কিস্তি দেওয়া সম্ভব। তিনি লোন নেওয়ার পরে বিক্রি ১৫ শতাংশ বাড়িয়েছেন কারণ সঠিক স্টক থাকায় গ্রাহক বেশি আকৃষ্ট হয়েছেন।
তবে সবাই একই অবস্থায় নেই। যদি আপনার ব্যবসা এখনও লাভজনক না হয়, তাহলে ছোট পরিমাণের লোন নিন। ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার পর সেটা ফেরত দিতে পারলে বড় পরিমাণ নেওয়ার বিবেচনা করুন।
আমার নিজের একটা নিয়ম আছে: প্রতি মাসের শুরুতেই কিস্তির টাকা আলাদা করে ফেলা। তাহলে মাস শেষে হিসেব মেলাতে হয় না। আপনি চাইলে ব্যাংকের অটো-ডেবিট অপশন ব্যবহার করতে পারেন।
এই কৌশলগুলো আপনারও কাজে লাগুক। মনে রাখবেন, লোন হলো সেতু যেটা পার হতে সময় লাগে। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা থাকলে পৌঁছে যাওয়া সহজ।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: হাবিবুর এখন কী ভাবছেন
লোনের কিস্তি শেষের পথে। হাবিবুর এখন ভাবছেন ব্যবসা আরও সম্প্রসারণের। তিনি অনলাইনে বিক্রি শুরু করতে চান। বলেন, “অ্যাপের মাধ্যমেই যদি লোন পাওয়া যায়, তাহলে আমি আবার আবেদন করব এবার ২ লাখ টাকা।”
আমি তাঁর পরিকল্পনা শুনে আগ্রহী হলাম। তিনি ফেসবুকে একটি পেজ খুলেছেন এবং সেখান থেকে ছোট অর্ডার নেওয়া শুরু করেছেন। এটি একটি ভালো দিক। কারণ বর্তমানে অনলাইন বাজারের চাহিদা বাড়ছে। বিশেষ করে গ্রামের ক্রেতারাও এখন ফেসবুক থেকে কাপড় কিনতে আগ্রহী।
আস্থা অ্যাপের উন্নয়ন নিয়েও কথা হচ্ছে। ২০২৬ সালে অ্যাপটিতে নতুন ফিচার আসছে যেমন লোনের আবেদন ট্র্যাক করা, কিস্তির ইতিহাস দেখা ইত্যাদি। হাবিবুর জানেন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে সময় বাঁচালে ব্যবসা বাড়ে।
আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ডিজিটাল লোনের প্রবণতা বাড়বে। কারণ সময় বাঁচে, ঝামেলা কমে। হাবিবুরের মতো অনেকেই এখন অ্যাপের দিকে ঝুঁকছেন। সংখ্যাটা বলছে, ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে আস্থা অ্যাপের ব্যবহারকারী ১ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।
একটি শেষ কথা: হাবিবুর বললেন, “শুধু টাকা পেলেই চলবে না। ব্যবসার ধরন বুঝে সঠিক জায়গায় খরচ করতে হবে।” তাঁর এই উপলব্ধি সত্যিই প্রশংসনীয়। অনেক উদ্যোক্তা ভুল করে লোনের টাকা ভোগ্যপণ্যে খরচ করে ফেলেন, কিন্তু হাবিবুর তা করেননি।
ভবিষ্যতে আপনি যদি লোন নেওয়ার পরিকল্পনা করেন, তাহলে হাবিবুরের পথ অনুসরণ করুন। লোন সঠিক পরিকল্পনার একটি অংশ সমাধান নয়। ব্যবসার মূল শক্তি হলো আপনার পরিশ্রম আর সৎ ব্যবস্থাপনা।
আগামী মাসে যদি অনলাইন বিক্রি শুরু করেন, তাহলে সেটা আরও বড় সাফল্য হবে। আমরা সবাই তাঁর জন্য শুভকামনা জানাই।
শেষ কথা
আস্থা অ্যাপ দিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক থেকে লোন নেওয়া হাবিবুরের গল্প শুধু একটি সফল উদাহরণ নয় এটি একটি শিক্ষা। প্রযুক্তি হাতে থাকলে কঠিন সময়েও ব্যবসা বাঁচানো যায়। সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াই মূল কথা।
আমার মতে, ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য ডিজিটাল লোন ব্যবস্থা আরও সম্প্রসারণ হওয়া উচিত। হাবিবুরের মতো আরও হাজার হাজার উদ্যোক্তা এভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন। তাই আজই আপনার ব্যবসার চাহিদা বুঝে নিন আর প্রয়োজনে দ্রুততম সমাধান নিন।

