Skip to content
BanksGuide.png BanksGuide

বাংলাদেশের সকল ব্যাংকের আপডেট তথ্য

BanksGuide.png BanksGuide

বাংলাদেশের সকল ব্যাংকের আপডেট তথ্য

  • প্রথম পাতা
  • ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ড
  • ব্যাংক লোন পরামর্শ
  • সাধারণ জিজ্ঞাসা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • নীতিমালা
  • ডিসক্লেইমার
  • ডিএমসিএ
  • প্রথম পাতা
  • ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ড
  • ব্যাংক লোন পরামর্শ
  • সাধারণ জিজ্ঞাসা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • নীতিমালা
  • ডিসক্লেইমার
  • ডিএমসিএ
ডিবিবিএল পার্সোনাল লোন আবেদন.png
ব্যাংক লোন পরামর্শ

ডিবিবিএল পার্সোনাল লোন আবেদন করতে কি কি লাগে? আশরাফ চাচার আবেদন করার বাস্তব অভিজ্ঞতা

রিপন সরকার
By রিপন সরকার
May 20, 2026

পার্সোনাল লোন নেওয়ার কথা ভাবছেন? ব্যাংকে গেলে তো কত রকমের ঝক্কি। ডকুমেন্ট জোগাড়, ফর্ম পূরণ, তারপর অপেক্ষা। কিন্তু ডিবিবিএল পার্সোনাল লোনের ব্যাপারটা কি সত্যিই ততটা সহজ? আর নতুন নিয়মে কী কী বদলেছে? আশরাফ চাচা যিনি গত মাসে নিজেই এই লোনের জন্য আবেদন করেছেন তার অভিজ্ঞতা শুনলে অনেক বিষয় পরিষ্কার হবে। তিনি রাজধানীর মিরপুরে থাকেন, ছোট্ট একটা মুদি দোকান চালান। তার চোখে দেখা এই বাস্তব গল্পটা আপনারও কাজে লাগবে।

প্রথম যোগাযোগ: ডিবিবিএলে গিয়ে কী দেখলাম?

আশরাফ চাচা প্রথমে গিয়েছিলেন মতিঝিলের ডিবিবিএল প্রধান শাখায়। ব্যাংকের সাদা-নীল সাইনবোর্ড দেখে ভিতরে ঢুকলেন। কাউন্টারের কর্মকর্তাকে বললেন, “ভাই, পার্সোনাল লোন নিতে চাই।” কর্মকর্তা হেসে একটা ফর্ম দিয়ে বললেন, “প্রথমে এইখানে নাম-ঠিকানা দিন।” চাচা ভেবেছিলেন শুধু একটা ফর্ম পূরণ করলেই হবে। কিন্তু ভুল। ডিবিবিএলের নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমেই আপনার আয়ের উৎস দেখাতে হবে।

সততার সাথে বলছি, এই জিনিসটা অনেকেই বোঝেন না। তারা ভাবেন, শুধু জমি-বাড়ির কাগজ দিলেই হয়। কিন্তু চাচা জিজ্ঞেস করলেন, “আমার মুদি দোকানের কী হবে? ব্যবসার প্রমাণ কীভাবে দেব?” কর্মকর্তা বুঝিয়ে বললেন, ব্যবসার রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ট্রেড লাইসেন্স আর গত ছয় মাসের লেনদেনের ব্যাংক স্টেটমেন্ট লাগবে। চাচার কাছে ট্রেড লাইসেন্স ছিল, কিন্তু ব্যাংক স্টেটমেন্ট নিয়মিত রাখেননি। এখানেই প্রথম বাধা।

আপনি যদি চাকরিজীবী হন, তাহলে লাগবে আপনার বেতনের স্লিপ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট আর অফিস আইডি কার্ড। ব্যবসায়ীদের আলাদা নিয়ম। চাচা জানালেন, ব্যাংকের কর্মকর্তা তাকে আরও বলেছিলেন যে, ন্যূনতম ৬ মাসের লেনদেনের ইতিহাস না থাকলে আবেদন গ্রহণ করা হয় না। এই তথ্যটা অনেকেই জানেন না। চলতি বছরের মার্চ মাসের একটি নির্দেশিকা অনুযায়ী, ডিবিবিএল এই নিয়ম আরও কঠোর করেছে। আগে ৩ মাস চলত, এখন ৬ মাস বাধ্যতামূলক।

পরের বার যখন যাবেন, খালি হাতে যাবেন না। প্রথমেই ব্যাংক স্টেটমেন্ট নিয়ে যান। আর চাকরিজীবী হলে বেতন স্লিপের ফটোকপি রাখুন। আশরাফ চাচার মতো যদি ব্যবসায়ী হন, তাহলে ট্রেড লাইসেন্স আর তিন বছরের কর রিটার্ন জরুরি।

আসল ঝামেলা: ডকুমেন্ট জোগাড় করতে কত সময় লাগলো?

প্রথম দিন ফর্ম পূরণ করার পর চাচা বাড়ি ফিরলেন। ভাবলেন, বাকিটা সহজ। কিন্তু না। পরের দিন তিনি ব্যাংকে গিয়ে ডকুমেন্ট জমা দিতে গিয়ে দেখলেন, আরো কিছু কাগজ চাই। এখানেই ঘটলো বড় ধাক্কা। ডিবিবিএল পার্সোনাল লোনের জন্য যে ডকুমেন্টগুলোর প্রয়োজন, সেগুলো সংগ্রহ করতে কয়েকদিন লেগে যায়। চাচা জানালেন, তার সবচেয়ে বেশি সময় লেগেছে আয়ের প্রমাণপত্র জোগাড় করতে।

ব্যবসার আয় দেখানোর জন্য লাগে: ট্রেড লাইসেন্স (অরিজিনাল দেখাতে হবে), ব্যাংক স্টেটমেন্ট (গত ৬ মাসের), আয়কর রিটার্ন (গত ৩ বছরের), আর দোকানের মালিকানার প্রমাণ। চাচার দোকানটি ভাড়া তাই ভাড়ার চুক্তিপত্রও লাগবে। এই ডকুমেন্টের প্রতিটা জিনিস জোগাড় করতে প্রায় ৪ দিন কেটে গেছে। চাচা বলছিলেন, “একটা বিষয় মাথায় রাখবেন কোনো ডকুমেন্ট জাল হলে লোন বাতিল হবে। তাই সঠিক কাগজ দিন।”

আমি নিজে একটু অন্যভাবে বলবো। বেশিরভাগ লেখায় বলা হয়, ডকুমেন্ট জোগাড় সহজ। কিন্তু আমার পর্যবেক্ষণ ভিন্ন। ডিবিবিএলে আবেদনের সময় দেখা গেল, যদি আপনার আয়ের কোনো প্রমাণে ফাঁক থাকে যেমন ব্যাংক স্টেটমেন্টে নির্দিষ্ট মাসে টাকা জমা পড়েনি তবে তারা প্রশ্ন করে বসে। চাচাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, “গত ডিসেম্বরে আপনার অ্যাকাউন্টে লেনদেন কম কেন?” তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, বাজারের মন্দার কারণে। এই জিনিসটা প্রমাণ করা কঠিন।

একটা টেবিলে দেখি মোট ডকুমেন্টের তালিকা:

ডকুমেন্টের ধরণ কাদের জন্য কপি সংখ্যা
ট্রেড লাইসেন্স ব্যবসায়ী ২ কপি
ব্যাংক স্টেটমেন্ট (গত ৬ মাস) সবার জন্য ২ কপি
আয়কর রিটার্ন (গত ৩ বছর) ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবী ২ কপি
বেতন স্লিপ (গত ৩ মাস) চাকরিজীবী ২ কপি
জাতীয় পরিচয়পত্র সবার জন্য ৩ কপি
ভাড়ার চুক্তিপত্র ভাড়াটে ব্যবসায়ী ১ কপি

ডকুমেন্ট জোগাড় করার সময় সবকিছুর ফটোকপি নিয়ে যান। আর প্রতিটা কপিতে নিজের স্বাক্ষর দিতে ভুলবেন না। চাচা প্রথমে স্বাক্ষর দেননি, তাকে পরে আবার যেতে হয়েছে। আজই আপনার কাগজপত্র একবার মিলিয়ে নিন। কমপক্ষে ২ ঘন্টা সময় রাখুন এই কাজের জন্য।

লোনের পরিমাণ আর সুদের হার: অফার পেয়ে চাচা যা বুঝলেন

ডকুমেন্ট জমা দেওয়ার এক সপ্তাহ পর চাচার মোবাইলে মেসেজ এলো। ডিবিবিএল তার লোন অনুমোদন করেছে। কিন্তু পরিমাণটা শুনে তিনি হতভম্ব। তিনি ৩ লাখ টাকা চেয়েছিলেন, অনুমোদন হলো মাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংকের মতে, তার আয়ের হিসাব অনুযায়ী এই পরিমাণই যথেষ্ট। এখানেই আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ডিবিবিএলের পার্সোনাল লোনের সর্বোচ্চ পরিমাণ নির্ভর করে আপনার নিট আয়ের ওপর। চাকরিজীবীদের জন্য মাসিক বেতন বড় ভূমিকা রাখে।

সুদের হার নিয়ে চাচা জানতে চাইলেন। ব্যাংকের কর্মকর্তা বললেন, বার্ষিক ১২.৯৯% থেকে ১৬.৯৯% পর্যন্ত হতে পারে। চাচার ক্ষেত্রে ধার্য করা হয় ১৪.৫০%। কারণ, তার ব্যবসার হিসাব পুরোপুরি স্পষ্ট ছিল না। আর লোনের মেয়াদ ১২ থেকে ৬০ মাস পর্যন্ত নেওয়া যায়। চাচা ২৪ মাসের কিস্তি বেছে নিলেন।

মাসে কতো টাকা দিতে হবে?

  • লোনের পরিমাণ: ১,৫০,০০০ টাকা
  • সুদের হার: ১৪.৫০%
  • মেয়াদ: ২৪ মাস
  • মাসিক কিস্তি: প্রায় ৭,২৫০ টাকা

আরও পড়ুনঃ ১ লক্ষ টাকা লোনে মাসে কত কিস্তি দিতে হয়? বাবুল সাহেব হিসাব করে যা জানলেন

ব্যক্তিগতভাবে আমি চাচার চেয়ে ভিন্ন পথে যেতাম। আমি লোনের অফার আসার পর দ্বিতীয় কোনো ব্যাংকের সাথে তুলনা করতাম। কিন্তু চাচা জরুরি প্রয়োজন ছিল, তাই রাজি হয়ে গেলেন। এখানে স্বীকৃত অনিশ্চয়তা আছে সুদের হার কমানো যেত কিনা, তা নিয়ে আমি নিশ্চিত নই। তবে ব্যাংকের সাথে দরকষাকষির সুযোগ আছে, বিশেষ করে যদি আপনার ক্রেডিট স্কোর ভালো থাকে।

লোনের অফার পাওয়ার পর একবার অন্য ব্যাংকের সুদের হার মিলিয়ে দেখুন। এতে মাত্র ১০ মিনিট সময় লাগবে, কিন্তু মাসে কয়েকশ টাকা বাঁচাতে পারবেন।

ক্রেডিট স্কোর আর জামানতের খেল: আশরাফ চাচার অজানা গল্প

ডিবিবিএলের পার্সোনাল লোনের জন্য জামানত লাগে না এই কথাটা আমরা প্রায়ই শুনি। কিন্তু চাচার অভিজ্ঞতা বলছে ভিন্ন কথা। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে জামানত লাগে না, ব্যাংক আপনার ক্রেডিট স্কোর দেখে। ক্রেডিট স্কোর হলো আপনার আগের লোন বা ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনের একটি রেকর্ড। ২০২৬ সালের মে মাসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ডিবিবিএল ৬৫০ পয়েন্টের নিচে স্কোর পেলে লোন দেয় না। চাচার স্কোর ছিল ৬৮০ সেটা ঠিক ছিল।

কিন্তু তিনি জানতেন না, ক্রেডিট স্কোরের একটা খেলা আছে। যদি আপনার নামে আগের কোনো লোন অনিয়মিত থাকে, তাহলে স্কোর কমে যায়। চাচার নামে ৫ বছর আগে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে নেওয়া ২০ হাজার টাকার লোন বকেয়া ছিল। তিনি তা পরিশোধ করেছিলেন, কিন্তু আপডেট হতে সময় লেগেছে। ডিবিবিএলের কর্মকর্তা তা চিহ্নিত করায় আবেদন প্রক্রিয়া আরও ২ দিন পিছিয়ে গেছে।

আর জামানত না লাগলেও, ব্যাংক কিছু হলফনামা চায়। যেমন: আপনি যদি কিস্তি না দেন, তাহলে ব্যাংক আপনার অন্য সম্পদ দাবি করতে পারে। এই শর্তে চাচা স্বাক্ষর দিয়েছেন। কিন্তু তিনি মনে করেন, এই নিয়মটি আরো পরিষ্কার করে বলা উচিত। কারণ, অনেকে বুঝতে পারে না যে জামানত না থাকলেও ঝুঁকি আছে।

আমি জোর দিয়ে বলছি, আবেদনের আগে আপনার ক্রেডিট স্কোর জেনে নিন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি রিপোর্ট দেখতে পারেন। আর পুরনো কোনো লোন বকো থাকলে তা পরিশোধ করে নিন। এটি মাত্র ১ দিনের কাজ, কিন্তু আপনার লোন পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে।

আবেদন প্রক্রিয়ার অদ্ভুত অংশ: ফোন কল আর অপেক্ষার পালা

ডকুমেন্ট জমা দেওয়ার পর চাচা ভেবেছিলেন, শুধু অপেক্ষা করলেই হবে। কিন্তু না। ডিবিবিএল থেকে তার মোবাইলে ফোন করে আরো কিছু তথ্য জানতে চেয়েছে। একদিন সকাল ১০টায় ফোন এলো। ব্যাংকের একজন প্রতিনিধি জিজ্ঞেস করলেন, “আপনার দোকানের মাসিক আয় কত? আপনি কি অন্য কোনো লোন নিয়েছেন? লোনের টাকা কোথায় ব্যবহার করবেন?” এই কথোপকথন প্রায় ১৫-২০ মিনিট চলে।

চাচা নার্ভাস হয়ে গিয়েছিলেন। কারণ, তার কাছে সব তথ্য গোছানো ছিল না। তিনি সৎভাবে উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু ব্যাংকের প্রতিনিধি বলেছিলেন, “আপনার আয় ও ব্যয়ের অনুপাত মেলেনি। আমরা আরো কিছু নথি চাই।” এরপর তাকে আবার ব্যাংকে যেতে হয়েছে, বছরের শেষ পর্যন্ত আরেকটি আয় বিবরণী দিতে।

এখানেই বিস্ময়কর পর্যবেক্ষণ। যে কথাটা কেউ বলে না সেটা হল, ব্যাংকের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক শুধু ফোনেই সীমাবদ্ধ নয়। তারা আপনার পরিচিত মানুষদেরও ফোন করে যেমন দোকানের পাশের ব্যবসায়ী অথবা পরিবারের সদস্য। চাচাকে ব্যাংকের প্রতিনিধি জিজ্ঞেস করেছিল, “আপনার প্রতিবেশী কে?” তারা তাকে ফোন করে জেনেছে যে চাচা সত্যিই একটি মুদি দোকান চালান। এই প্রক্রিয়াটি অনেক সময় নেয়।

থাক, মূল কথায় আসি। আবেদনের পর প্রতিদিন ফোন আসবে বলে ভয় পাবেন না। ব্যাংক সাধারণত ১-২ বার যোগাযোগ করে। তবে উত্তর দেবার সময় সতর্ক থাকুন। কোনো তথ্য গোপন করবেন না। চাচা বলতেন, “সত্যি বললে মাথা ঠান্ডা থাকে।”

প্রতিটি ফোন কলের পর সঙ্গে সঙ্গে নোট করুন কে কি জিজ্ঞেস করেছে, আপনি কী উত্তর দিয়েছেন। এতে ভবিষ্যতে কোনো ভুল তথ্য দেওয়া থেকে রক্ষা পাবেন। আমি নিজেই এই নিয়মটা মেনে চলি।

শেষের মঞ্চ: লোনের টাকা হাতে পেতে চাচার কতদিন লেগেছিল?

মোট সময় লেগেছিল ১৪ দিন। হ্যাঁ, ১৪ দিন। চাচা প্রথম যান ২রা জুন, টাকা হাতে পান ১৬ই জুন। এই ১৪ দিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় কেটেছে ডকুমেন্ট যাচাইয়ে। ব্যাংক স্টেটমেন্ট, আয়কর সব মিলিয়ে প্রায় ৬ দিন। তারপর ক্রেডিট স্কোর চেক আর ফোন কল আরও ৩ দিন। সবশেষে অনুমোদন পেতে সময় লেগেছে আরো ৫ দিন।

আশরাফ চাচার মতামত: “প্রক্রিয়াটি জটিল না, কিন্তু ধৈর্য লাগে। যারা তাড়াহুড়ো করে, তারা হতাশ হবে।” তার অভিজ্ঞতা থেকে আমি যা শিখলাম সেটা হল ডিবিবিএলের এই লোনের জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি জরুরি। তাঁর মতে, আবেদনের আগে সব কাগজ গুছিয়ে নিলে সময় অর্ধেক কমে যেতে পারে। যেমন, তিনি ব্যাংক স্টেটমেন্ট জোগাড় করতে ভুলে গিয়েছিলেন, যার জন্য ২ দিন নষ্ট হয়েছে।

একটা বিষয় স্মরণ রাখবেন: ব্যাংকের খোলার সময় (সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা) ধরে কাজ করুন। চাচা ভেবেছিলেন সন্ধ্যাবেলা গেলেও হবে, কিন্তু তা হয়নি। আপনার আবেদন সকালবেলা জমা দিলে দ্রুত প্রক্রিয়া হবে।

অবাক লাগলো? সত্যিই এই কয়েকটি সাধারণ ভুলের জন্যই সময় বেড়ে যায়। তাই আজই পরিকল্পনা করুন আগামীকাল সকালে ব্যাংকে যান। ৩০ মিনিট সময় রাখুন শুধু ফর্ম নেওয়ার জন্যই।

শেষ কথা

আশরাফ চাচার গল্প থেকে স্পষ্ট ডিবিবিএল পার্সোনাল লোন শুধু কাগজপত্রের খেলা নয়, এটি একটি শৃঙ্খলা। প্রথম দিকে ভেবেছিলেন অনেক কষ্ট, কিন্তু শেষে টাকা হাতে পেয়ে স্বস্তি পেয়েছেন। আমার কাছে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, আয়ের প্রমাণ সুস্পষ্ট রাখলে সবচেয়ে ঝামেলা কমে।

আপনার যদি জরুরি প্রয়োজন হয়, তাহলে আজই ক্রেডিট স্কোর জেনে নিন। ব্যাংকের সাথে দরকষাকষি করতে দ্বিধা করবেন না। শেষমেষ এই একটি কথাই মাথায় রাখবেন ধৈর্য আর সঠিক তথ্যই সফলতার চাবিকাঠি।

🔥 Recommended For You

ব্র্যাক ব্যাংক এসএমই লোনের সুবিধা: ব্রাঞ্চ ম্যানাজারের সাথে কথা বলে যে তথ্যগুলো জানলাম
ব্র্যাক ব্যাংক এসএমই লোনের সুবিধা: ব্রাঞ্চ ম্যানাজারের সাথে কথা বলে যে তথ্যগুলো জানলাম
আমার বন্ধু রিফাত যেভাবে গুগল ওয়ালেটে ব্র্যাক ব্যাংকের কার্ড যোগ করলেন (ধাপে ধাপে)
আমার বন্ধু রিফাত যেভাবে গুগল ওয়ালেটে ব্র্যাক ব্যাংকের কার্ড যোগ করলেন (ধাপে ধাপে)
রিপন সরকার
Author

রিপন সরকার

রিপন সরকার একজন ব্যাংকিং পেশাজীবী এবং আর্থিক বিষয়ক লেখক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকিং খাতে কাজ করছেন এবং ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক লোন, ডিজিটাল ব্যাংকিং ও ব্যক্তিগত অর্থব্যবস্থাপনা বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। এই তিনি সহজ ও নির্ভরযোগ্য ভাষায় ব্যাংকিং সম্পর্কিত তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট প্রকাশ করেন, যাতে পাঠকরা সঠিক আর্থিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

Follow Me
Other Articles
জামানত ছাড়া কোন ব্যাংক লোন দেয়.png
Previous

জামানত ছাড়া কোন ব্যাংক লোন দেয়? আমার বন্ধু কামরুল যেভাবে জামানত ছাড়া ব্যাংক থেকে লোন পেয়েছিল

১ লক্ষ টাকা লোনে মাসে কত কিস্তি দিতে হয়.png
Next

১ লক্ষ টাকা লোনে মাসে কত কিস্তি দিতে হয়? বাবুল সাহেব হিসাব করে যা জানলেন

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ প্রকাশ

  • ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ না করলে কি হয়.pngক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ না করলে কী হয়? জামালের এই গল্প যা আপনাকে সতর্ক করবে
  • বিকাশ থেকে সিটি ব্যাংকের লোন নেওয়ার নিয়ম.pngবিকাশ থেকে সিটি ব্যাংকের লোন নেওয়ার নিয়ম: রুহুল আমিন আমার সাথে তাঁর নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করল
  • ব্যাংক লোন পেতে কি কি কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়.pngব্যাংক লোন পেতে কি কি কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়? প্রথমবার আবেদন করতে গিয়ে আসিফ সাহেব যা শিখলেন
  • ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কোন ব্যাংকের কার্ড ভালো.pngফ্রিল্যান্সারদের জন্য কোন ব্যাংকের কার্ড ভালো? ডলার রিসিভ থেকে ক্যাশব্যাক, রুমানা হক তাঁর অভিজ্ঞতা জানালেন
  • বাংলাদেশের সেরা ক্রেডিট কার্ড কোনটি.pngবাংলাদেশের সেরা ক্রেডিট কার্ড কোনটি? সকল কার্ড তুলনা করে শফিকুল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল
  • ডিবিবিএল পার্সোনাল লোন আবেদন.pngডিবিবিএল পার্সোনাল লোন আবেদন করতে কি কি লাগে? আশরাফ চাচার আবেদন করার বাস্তব অভিজ্ঞতা
  • গুগল ওয়ালেটে ব্র্যাক ব্যাংকের কার্ড যোগ.pngআমার বন্ধু রিফাত যেভাবে গুগল ওয়ালেটে ব্র্যাক ব্যাংকের কার্ড যোগ করলেন (ধাপে ধাপে)
ডিসক্লেইমারঃ আমরা কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান নই। এই সাইটের তথ্যগুলো কেবল সাধারণ সচেতনতা এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে তৈরি।
Copyright 2026 — Latestjobnews24.com. All Rights Reserved.